জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তের লিঙ্গ কর্তনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে কর্তনকৃত লিঙ্গ নিয়ে পালিয়ে আছেন অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম (নজু)।
গতকাল রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে পৌর এলাকার মুন্দাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মুন্দাইল গ্রামের আজমাদ হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪০) একই গ্রামের এক নারীর ঘরে জোরপূর্বক প্রবেশ করে তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দেন। এ সময় দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে ওই নারী ধারালো ব্লেড দিয়ে আঘাত করলে অভিযুক্তের পুরুষাঙ্গ কেটে যায় বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর স্বামী মুকুল হোসেন বলেন, “এর আগেও নজরুল ইসলাম বিভিন্নভাবে আমার স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন। সম্মানের কথা ভেবে বিষয়টি কাউকে জানাইনি। ঘটনার দিন আমার স্ত্রী ঘরে বসে পায়ের নখ কাটছিল। এ সময় নজরুল ঘরে ঢুকে পিছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে। পরে আমার স্ত্রী কৌশলে তাকে বিছানায় শুতে বলে এবং ব্লেড দিয়ে আঘাত করে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় তারা থানায় এসে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম (নজু)-এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এমন কিছুই ঘটেনি,” বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি আর রিসিভ করেননি।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, ঘটনাটি পুলিশের নজরে এসেছে এবং বর্তমানে এটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।