স্থগিতকৃত শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে সার্বিক ভোটার উপস্থিতি কম হলেও আদিবাসী এবং নারী ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়া এ আসনের আদিবাসী অধ্যুষিত ঝিনাইগাতী উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ঘুরে দেখা গেছে সার্বিক ভোটার উপস্থিতি কম। তবে উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে আদিবাসী এবং নারী ভোটারদের উপস্থিতি ৯০ ভাগ দেখা গেছে।
সকাল সাড়ে ১০টায় ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকার সীমান্তবর্তী কাংশা ইউনিয়নের নওকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বেলা সাড়ে ১১টায় পার্শ্ববর্তী বাঁকাকুরা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে প্রায় শতভাগ ভোটার ছিল আদিবাসী গারো ও কোচ নারী।
এ সময় উপস্থিত নারী ভোটাররা বলেন, আমরা স্বাচ্ছন্দে এবং আনন্দের সঙ্গে ভোট দিচ্ছি, কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। এছাড়া ভোট দেওয়ার জন্য কোনোরকম চাপও নেই বলে জানালেন অনেক আদিবাসী নারী ভোটার।
এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নির্বাচনি কাজে জড়িত বিভিন্ন কর্মকর্তারাও জানালেন এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। কোনো অনিয়মের অভিযোগও পাননি তারা।
তবে বিচ্ছিন্নভাবে কোনো কোনো কেন্দ্রে জামায়াত প্রার্থীর কর্মীরা তাদের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।
তবে এ অভিযোগের ব্যাপারে ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি রাশেদা বেগম বেলা সাড়ে ১১টায় বাঁকাকুড়া উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে যুগান্তরকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রের অনিয়মের অভিযোগ পাইনি। এ পর্যন্ত যতগুলো ভোটকেন্দ্র ঘুরেছি সবগুলোতেই অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণের চিত্র দেখেছি।