পালটা হামলা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না: ইরানের প্রেসিডেন্ট
- আপডেট সময় : ১২:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

ইরান কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পালটা আঘাত ছাড়া কোন পথ খোলা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
এদিকে হোয়াইট হাউস বলছে, হামলার আগে ইরানকে বেশকিছু প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্ত তেহরান প্রত্যাখ্যান করায় অভিযান চালানো হয় দেশটিতে। অন্যদিকে চলমান সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা অংশ নেবে না বলে সাফ জানিয়েছে জার্মানি।
পরমাণু ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যৌথ বিমান হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাতের পথ বেছে নেয় তেহরান।
বুধবার (৪ মার্চ) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত এড়াতে চেয়েছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের হামলার পর তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। বুধবার (৪ মার্চ) হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়েও উঠে আসে ইরানের হামলা ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু। প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট দাবি করেন, ইরান হামলা করতে পারে ট্রাম্পের এমন ‘অনুভূতির’ ভিত্তিতেই আগাম হামলা চালানো হয়েছে।
লেভিট আরও দাবি করেন, ইরানের ওপর হামলা চালানোর আগে ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানকে কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ইরানের ওপর থেকে সব কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ এবং মার্কিন বিনিয়োগে একটি যৌথ বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি চালু করা।
তবে বিনিময়ে ইরানকে তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অবকাঠামো স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার শর্ত দেয়া হয়। লেভিটের দাবি, ইরান এই ‘শান্তির প্রস্তাব’ প্রত্যাখ্যান করার কারণেই দেশটির ওপর অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
লেভিট আরও জানান, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই খামেনির অবস্থান শনাক্ত করে হামলার সময় নির্ধারণ করা হয়। সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বের শূন্যতা ও উত্তরাধিকারী নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কড়া নজর রাখছে বলেও জানান তিনি।

















