মশার কয়েল তৈরির কারখানায় যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরি

অনলাইন ডেস্কঃ মশার কয়েল তৈরির আড়ালে নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ভেজাল সিরাপ উৎপাদন করে আসছিল এক ভেজাল কোম্পানী। দীর্ঘদিন ধরে এইসব নিষিদ্ধ পন্য তৈরি করে আসছিল বলে জানা যায়।

একসময়ের অন্ধকার নগরী হিসেবে নারায়ণগঞ্জের নাম ছিল লোকমুখে। অপরাধের বিশাল সম্রাজ্য ছিল এই নগরীতে। এখন অনেকাংশে কমে আসলেও মূল উৎপাটন করায় যায়নি। বিভিন্ন অঞ্চলেই বিভিন্ন রকমের অন্যায়, মাদক দ্রব্য তৈরি থেকে শুরু করে অস্ত্র তৈরি এমন অনেক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সহ ব্যবসা এখনও স্থান ও নাম পাল্টে করে যাচ্ছে কিছু দুস্কৃতিকারী ও সন্ত্রাসীরা। আইন শৃংখলাবাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন অভিযানে তা ধরা পড়লেও কিছুটা কমে তবে তারা জেল থেকে বের হয়ে আবারও নতুন কায়দায় অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে যায়। নতুবা নতুন নতুন মানুষদের মাধ্যমেই তারা পরোক্ষভাবে তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গ্যাস চুরির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিকসহ ১২ জনকে আটক করেছে র‍্যাব। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার কাঁচপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় এম এম এন্টারপ্রাইজ ও এম কে ফুডস নামে পাশাপাশি দুইটি কারখানায় র‌্যাব এ অভিযান চালায়। এ সময় সাত হাজারের বেশি যৌন উত্তেজক ভেজাল সিরাপ জব্দ করা হয়।

র‍্যাব জানায়, আকিফ ও তাওহীদের মালিকানাধীন এম এম এন্টারপ্রাইজ এবং একই ছাউনির নিচে এম কে ফুডস নামের কারখানা দুটিতে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে সেখানে ভেজাল ও নিষিদ্ধ খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এবং বাজারজাত করে আসছিল। স্থানীয়দের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে র‍্যাব সেখানে গোয়েন্দা নজরদারি করে অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়।

পরে তিতাস কোম্পানির কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ ১২ জনকে আটক করা হয়। এই কারখানায় গ্যাস জ্বালিয়ে সর্বক্ষণ মশার কয়েল ও নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ভেজাল সিরাপ উৎপাদনের পাশাপাশি প্রতিমাসে কমপক্ষে ৩০ লাখ টাকার গ্যাস চুরির অভিযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন