চীনে এবার সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসে আক্রান্ত আবারও মহামারির আশঙ্কা

চীনে নতুন ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন চীনা গবেষকরা। নতুন এই ভাইরাসের নাম সোয়াইন ফ্লু। এর মধ্যে জ্বর, কাশি, হাঁচিও রয়েছে। করোনাভাইরাসের মতোও এই ভাইরাসটি মহামারি আকারে ছড়াতে পারে বলে আশঙ্খা করছেন গবেষকরা।

২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গবেষকেরা চীনের ১০টি প্রদেশের কসাইখানা ও একটি পশু হাসপাতাল থেকে শূকরের নাকের শ্লেষ্মা সংগ্রহ করে সেখান থেকে ১৭৯ সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস পাওয়া যায়। এই ভাইরাস মানুষের শরীরে অভিযোজিত হতে পারে। এভাবে মহামারির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

গবেষকরা বলছেন, এই ভাইরাস প্রাণী থেকে মানবশরীরে সংক্রমিত হতে পারে। এটি মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয় কি না, এর কোনো প্রমাণ নেই। এটিই গবেষকদের ভাবনার বিষয়।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটারিনারি মেডিসিন বিভাগের প্রধান জেমস উড বলেন, বন্য প্রাণীর সঙ্গে যেসব মানুষের যোগাযোগ বেশি, তাদের মাধ্যমে মহামারি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এএফপির খবরে জানা যায়, ২০০৯ সালে মহামারির প্রার্দুভাবের জন্য দায়ী এইচওয়ানএনওয়ান প্রজাতি থেকে জি–ফোর নামের এই ভাইরাস এসেছে। চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধকেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষকে সংক্রমিত করার মতো সব বৈশিষ্ট্য এর আছে।

এ নিয়ে গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সে এক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়।

গবেষকরা বলছেন, জি–ফোর অত্যন্ত সংক্রামক। মানবকোষে এর ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। অন্য ভাইরাসের চেয়ে এই ভাইরাস ফেরেটের শরীরে বেশি গুরুতর উপসর্গ তৈরি করে। পরীক্ষা–নিরীক্ষায় দেখা গেছে, মৌসুমি ফ্লুতে সংক্রমিত হওয়ার পর মানুষের যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, তা জি–ফোর ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে পারে না।

শেয়ার করুন

Bangla Somoy

Pradip Barua Joy is the Editor and Publisher of the News Portal (banglasomoy.com). He is the recognized Journalist and working in this profession about 21 years. He is the proprietor of Water Guard Bangladesh & Mam Industrial Engineering. As a online activist and online market establisher he is the well known person of our country.