খালেদা তারেক এর মতো ফেঁসে যেতে পারেন বর্তমান গান্ধী পরিবারের সদস্যবৃন্দ

ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে গতমাসেই বিরোধীদল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘দুঃসাহসিক জালিয়াতি’ করার অভিযোগ আনা হয়েছিলো। আর গান্ধী পরিবারের সঙ্গে যুক্ত তিনটি ট্রাস্টের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এক প্রতিবেদনে এখবর নিশ্চিত করেছে দেশটির গণমাধ্যম এনডিটিভি।

বুধবার (৮ জুলাই) ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র টুইট-বার্তায় জানান, রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন, রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ওঠা আয়কর ও অনুদানের বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তদন্তের জন্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে।

বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা টুইট করেন, “প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ইউপিএ আমলে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনে অর্থ অনুদান দেওয়া হয়েছিলো। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল বোর্ডের শীর্ষে তখন কে বসেছিলেন? সনিয়া গান্ধী। রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের সভাপতিত্ব কে করেন? সনিয়া গান্ধী। এটা চূড়ান্ত ভাবে নিন্দনীয় ও পুরো বিষয়টির স্বচ্ছতা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন থেকে যায়।”

বিজেপি আরও অভিযোগ করেছে, ১৯৯১ সালে অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিজের বাজেট বক্তব্যে মনমোহন সিং ১০০ কোটি রুপি বরাদ্দ করেছিলেন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের জন্য।

উল্লেখ্য, রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের প্রধান কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী এবং ওই বোর্ডের সদস্যরা হলেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, পি চিদাম্বরম ও মনমোহন সিং।

অনলাইন নিউজ থেকে

শেয়ার করুন

Bangla Somoy

Pradip Barua Joy is the Editor and Publisher of the News Portal (banglasomoy.com). He is the recognized Journalist and working in this profession about 21 years. He is the proprietor of Water Guard Bangladesh & Mam Industrial Engineering. As a online activist and online market establisher he is the well known person of our country.