কালীগঞ্জের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৮ জন শিক্ষার্থী পেলো মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ

ফিরোজ আহম্মেদ, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি॥ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সরকারি মাহতাব উদ্দীন কলেজ থেকে এবার ৮ জন শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। এ নিয়ে বেশ উচ্ছাসিত কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজ থেকে বিভিন্ন মেডিকেলে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ জন মেয়ে ও ৩ জন ছেলে রয়েছে।

এদের মধ্যে- কালীগঞ্জ উপজেলার জটারপাড়া গ্রামের আইতাল হোসেনের ছেলে আরাফাত রহমান সাগর ঢাকা মেডিকেল কলেজ, নলডাঙ্গা গ্রামের এ.বি.এম আসাদুজ্জামানের মেয়ে তামান্না খাতুন সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ, রঘুনাথপুর গ্রামের খায়রুল ইসলামের ছেলে মারুফ হোসেন রুবেল ও আড়পাড়া গ্রামের আব্দুল মোমিনের মেয়ে শামছুন্নাহার শেফা শের-ই
বাংলা মেডিকেল কলেজ, ফয়লা গ্রামের ফুরকান আলীর মেয়ে মোনালিসা
তন্নি কিশোরগঞ্জ মেডিকেল কলেজ, বলিদাপাড়া এলাকার মোঃ আবুল
হোসেনের মেয়ে সামান্তা হোসেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, কলেজ পাড়া এলাকার প্রভাষ চন্দ্র সাহার মেয়ে সুষ্মিতা সাহা জ্যোতি ফরিদপুর
মেডিকেল কলেজ ও নিশ্চিন্তপুর এলাকার তপন বিশ্বাসের ছেলে দেবব্রত
বিশ্বাস যশোর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

এরা সবাই ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের সরকারি মাহতাব উদ্দীন কলেজের শিক্ষার্থী। ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থী আরাফাত রহমান সাগর বলেন, খুবই আনন্দ লাগছে। ছোটকালের অনেক ইচ্ছা আর স্বপ্ন যেনো আজ বাস্তবে ধরা দিয়েছে। মেডিকেলে সুযোগ পাওয়ার পেছনে কলেজ শিক্ষক ও টিউটর শিক্ষকের অবদান সবথেকে বেশি।

বরিশাল মেডিকেল কলেজে সুযোগ পাওয়া শামছুন্নাহার শেফা জানান,
ছোটবেলা থেকেই একজন দক্ষ ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা ছিল। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করবো।

সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম বলেন, মেডিকেলে ৮ জনের সুযোগ পাওয়ার খবরে আমরা আশান্বিত। সামনের বছরে এই সংখ্যা বৃদ্ধিতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আশরাফ উদ্দিন বলেন, এক সঙ্গে ৮ জন শিক্ষার্থীর মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ নিঃসন্দেহে গৌরব ও আনন্দের বিষয়। তিনি বলেন, আমরা বিজ্ঞানের ছাত্রদের মেধা বিকাশে যত্নবান।

তিনি বলেন, শুধু মেডিকেল নয় দেশের যে কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে
সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজ থেকে অনেক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সুযোগ
পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে কলেজটির সকল শিক্ষক-কর্মচারীরা
গর্বিত।

শেয়ার করুন