প্রচ্ছদ    

2019-10-05 00:53:34

আমজাদ হোসেন

ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি ও ইলিশ রপ্তানীর নিয়ে সমাজিক গণমাধ্যমে অপপ্রচার

Picture Missiong

আমজাদ হোসেন, কক্সবাজার থেকেঃ ইদানিং পত্রপত্রিকা, অনলাইন গণমাধ্যম সহ স্যোসাল মিডিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে নানান অপপ্রচার চালাচ্ছে। পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় এই ধরনের অপপ্রচার গুলো সাধারণ মানুষের মনে বেশ দাগ কাটছে বৈকি!

প্রসঙ্গ হল; সমালোচনাকারীদের কেউ বলছেন; বাংলাদেশ ভারতকে ৫০০টন ইলিশ উপহার দিয়েছে আবার কেউ বলছেন, ইলিশ দিয়েও পেঁয়াজ পাচ্ছে না বাংলাদেশ; আবার কেউ কেউ বলছেন, ইলিশ উপহার দিয়েও ভারত বাংলাদেশকে পেঁয়াজ দেয়নি।

আসল কথা হল, বাংলাদেশ ভারতের কাছে ইলিশ রপ্তানি করেছে প্রতি কেজি ১০০০-১২০০ টাকায়। ২০১২ সাল থেকে বর্তমান সরকার ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ রেখেছে। 

ভারত তিস্তার পানি দেয়নি বলে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলো-তিস্তার পানি আসলে ইলিশ যাবে। এরপর ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। অথচ এর আগে ২০০০ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ভারতে প্রচুর ইলিশ রপ্তানি হতো। এতদিন বন্ধ 
থাকার পর ভারত সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ তারিখ পর্যন্ত মাত্র ৫০০টন রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এটি কোন উপহার ও দান নয়।বিক্রি করেছে মাত্র, 

অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম ভারতেই পেঁয়াজের আকাল চলছে। ভারতেই পেঁয়াজের দাম বর্তমানে কেজি প্রতি ৬০-৮০রুপি হয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে ভারত নিজেও এবছর জরুরী পেঁয়াজ আমদানি করেছে। যার কারনে ওরা রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। 
শুধু মাত্র বাংলাদেশে নয়, ভারত যেসকল দেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করতো সব দেশেই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। ওদের নিজেদের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এই কাজ করেছে। সুতরাং ইলিশের সাথে পেঁয়াজের কোন সম্পর্ক নেই।

সত্যিকারের ও মূল খবর না জেনে দাম বেড়ে যাওয়ার ইস্যু নিয়ে অনলাইনে কিছু ভূয়া নিউজ পোষ্ট করে মানুষের মাঝে এক অনাস্থা ও বিভ্রান্তি ছড়ানো কতটা জঘন্যতম কাজ সেটা গণমাধ্যম গুলোকে বুঝার প্রয়োজন আছে।
তাই সকল অনলাইন ভিউয়ার সহ গনমাধ্যম গুলোকে এই বিষয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজন মনে করছে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।